রবি ঠাকুরের একটি গান খুবই ভালো লাগে, মন ছুঁয়ে যায়।
আমি কান পেতে রই
জীবন বড়ই বৈচিত্র্যময়। গতিময় জীবনপ্রবাহে বৈচিত্র্যের পদচারণা আরও বেশিরকম মুখর। সমাজ সাংসারের প্রতিটা অলিগলিতে কতনা বৈচিত্র্যময় ঘটনার সমারহ। তার কিছু নিখাদ সত্য, কিছু উপাখ্যান বা প্রচলিত গল্পকথা এবং কিছু বা নিরেট মিথ্যা। কিছু বর্ণিল নিখাদ সত্য তুলে ধরার জন্য এই ব্লগরব্লগর। বিভিন্ন সময়ে টুকে রাখা বিষয়বস্তু থেকে এই উপস্থাপনার রসদ যোগাড় করা যা হাল নাগাদেও কিছু সংযোজিত বটে।
ভুমিকা শ্যাষ। সত্য এবং তথ্যের উপস্থাপন শুরুঃ
শিশু দিয়েই শুরু করালাম।সব শিশুরাই জন্মের সময় থাকে বর্ণান্ধ।
১৯৫২ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনকে ইসরাইলের রাষ্ট্রপতির পদ দেয়ার প্রস্তাব করা হয় যা তিনি নাকচ করেন।
প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০,০০০ এর অধিক মানুষ টয়লেট সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
নিউ ইয়র্ক শহরে প্রতি বছর প্রায় ১,৬০০ অন্য মানুষের কামড়ে আহত হয়।
বামহাতি লোকজন ক্রীড়াক্ষেত্রে অত্যধিক পারঙ্গম কেননা খেলাধুলায় প্রয়োজনীয় তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ডানহাতি ব্যাক্তিদের তুলনায় বামহাতিরা শ্রেয়।
মাইনাস ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস মাইনাস ৪০ ডিগ্রী ফারেনহাইটের সমান।
ব্রাজিলের Monumental Axis সবচেয়ে প্রশস্ততম সড়ক যেখানে ১৬০টি গাড়ি পাশাপাশি চলতে পারে।
পৃথিবীতে যত ফটোকপি মেশিন নষ্ট হয় তার ২৩ শতাংশের কারণ মানুষের নিতম্বদেশ ফটোকপি করার অভিপ্রায়।
প্রতি বছর ৭,০০০ নতুন প্রজাতির কীটপতঙ্গ আবিস্কৃ্ত হয়।
বিশ্বে সর্বমোট বিক্রিত ভ্যালেন্টাইনস দিবসের কার্ডের ৮৫ শতাংশের ক্রেতা হছেন মহিলা।
একটা শিশু অক্টোপাস জন্মের সময় কীট আকৃতির থাকে।
একটি কাঁচের বল রবারের তৈরি বলের তুলনায় বেশি লাফায়।
আণবিক ঘড়িতে একটি সিজিয়াম অণু এক সেকেন্ডে ৯ বিলিয়নেরও বেশিবার কম্পিত হয়।
একজন মহিলার ৩৫ বছর বয়সের পর জমজ সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। ২৭ জনে ১ জন মহিলার ক্ষেত্রে এমনটা হয়। পঞ্চাশঊর্ধ্ব মহিলাদের ক্ষেত্রে এটা ৯ জনে ১ জন।
একটা Citroen 2CV গাড়ি গিয়ারবক্সে কলা ভর্তি করে তেলের ট্যাঙ্ককিতে ফুটো নিয়েও ৫০০ মাইল অতিক্রম করেছিল।
একটা মাথাকাটা তেলাপোকা/আরশোলা মাঠাকাটা অবস্থায় কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারে। খাবার খেতে পারলে তাও মরত না, কারণ ওটা মারা যায় অনাহারে।
যদি বলি “I will be there in a jiffy” কি বুঝবেন? বুঝতে হবে খুব দ্রুত যাব। কারণ Jiffy সময়ের একটি একক যার পরিমাপক হল ১ সেকেন্ডের ১০০তম ভাগের ১ভাগ।
বন্ধ নাক খোলার উপায় হল সেক্স করা।সেক্স প্রাকৃতিক এন্টিহিস্টামিন যা অ্যাজমা ও অ্যালারজিক জ্বর-জারি প্রশমনে কাজ করতে পারে।
একবার এক কান্সার রোগী তার ডাক্তেরের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছিল। কেননা, ডাক্তেরের বেঁধে দেয়া সময়সীমার অধিক সময় সে বেঁচে ছিল।
একটা ছুঁচোর পক্ষে একরাতে কতখানি খনন করা সম্ভব? বিশ্বাস করুন আর নাই করুন – একরাতে একটা ছুঁচো ৩০০ ফুট লম্বা টানেল খুঁড়তে পারে।
এবার শুনুন ইঁদুরের বাহাদুরি – একটা ইঁদুরকে পাঁচতলা সমান উচ্চতা থেকে ফেলা হয় তার কিচ্ছু হবে না।
লেখা শ্যাষ।
______________________________________________________________________________
বি, দ্রঃ উপস্থাপিত তথ্যাবলী সত্য, কোন তথ্যের প্রয়োগ পাঠক নিজ দায়িত্বে করবেন। প্রয়ায়গিক জটিলতার দায় সংকলকের ঘাড়ে বর্তাবে না।
জোনাকিরা আলো জ্বালে,
টিমটিমে অপূর্ব শোভামণ্ডিত আলো,
বসন্তের শেষে বা গ্রীষ্মের সন্ধ্যায়।
স্বয়ংপ্রভ নীলাভ-সবুজ রহস্যময় দ্যুতি,
তার সহজাত সঙ্গী আহবান।
আমরাও আলো জ্বালি,
টিমটিমে চরম প্রত্যাশাময় আলো,
দিনের শুরুতে বা যখন দিনমণি অস্ত যায়।
প্যান্ডোরার বাক্সবন্দী আশারূপ অদৃশ্যমান শিখা,
আমাদের সহজাত অস্তিত্বের আবেদন।।
___________________________________________________________________
অনুপ্রেরনাঃ
জোনাকির তলপেটের শেষের দিকে আলাদা একটি উপাঙ্গ থেকে এই আলোর উৎপত্তি হয়। এই প্রত্যঙ্গ হতে লুসিফেরিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয় যা জোনাকির শ্বাসনালী দ্বারা গৃহীত অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়। এই জারণ বা অক্সিডেশনে লুসিফারেজ নামক জৈবঅনুঘটক বা এনজাইম সহায়তা করে। জারণ বিক্রিয়াটিতে যে পরিমাণ শক্তি বা আলো উৎপন্ন হয়, তার মাত্র ২% হল তাপ। তাই এই আলো এতটা স্নিগ্ধ মনে হয়। ঐ বিশেষ অঙ্গটির স্নায়ু দ্বারা এই আলোর স্থায়িত্ব নিয়ন্ত্রিত হয়।
এই আলো তারা ব্যবহার করে তাদের বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করতে। স্ত্রী প্রজাতির জোনাকিরা এই আলো দিয়ে পুরুষ জোনাকিকে আকর্ষণ করে। তবে এই আকর্ষণের ব্যাপারটা প্রজাতিভেদে ভিন্ন। যেমন, আমেরিকায় এক প্রকারের জোনাকি আছে, যাদের পুরুষ প্রজাতি পাঁচ সেকেন্ড অন্তর জ্বলে উঠে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় মাটিতে অপেক্ষমান স্ত্রী জোনাকি দুই সেকেন্ড পর পর জ্বলে উঠে। এভাবে তারা মিলন সংক্রান্ত তথ্য আদান প্রদান করে।
আজ তুমি পাশে নাই
ধাতস্থ হতে হতেও,
এই অভাববোধটা ঘোচাতে পারলাম না।
পরাজিত মানুষের যথানিয়মের ব্যর্থতা,
নাকি তোমার সাফল্য?
তোমার সাফল্য নয়,
এ আমার অর্জিত সফলতা।
তোমার চলে যাওয়া,
সেটা মেনে নেয়া
এবং তোমায় ছাড়া পথ চলা
-সবটাই বাস্তবতা।
তোমার সুস্পষ্ট অভাববোধে,
তোমাকেই লালন করি হৃদয়ে।
এতে একরত্তি অবদান নেই তোমার
-এটাও বাস্তবতা।
তাই এই অভাববোধ ও সফলতা শুধুই আমার,
একান্তই আমার।
১] ঈশ্বর সবজান্তা, ইন্টারনেটও সবজান্তা।
২] ঈশ্বর নিরাকার, শুধু তাঁর সৃষ্টি প্রকাশ পায়। নিরাকার ইন্টারনেট, শুধু তার ফলাফল প্রকাশ পায়।
৩] ঈশ্বর সর্বত্র আছেন। বর্তমানে, ইন্টারনেটের ব্যাপ্তিও সর্বত্র ।
৪] ঈশ্বর প্রাপ্তির জন্য সময়, অর্থ এবং সাধনার প্রয়োজন। ইন্টারনেটের ক্ষেত্রেও এটা সর্ব প্রকারে সত্যি।
উপসংহারঃ ইন্টারনেট ঈশ্বর !!!
অতীত থেকে বলছি –
মিথ্যার আশ্রয় নেইনি,
যত্ন আর ভালবাসার কমতি ছিল না,
সততা নামক একটা আপেক্ষিক গুণ ছিল,
তবু তাকে ধরে রাখা যায়নি,
তবু সে আমায় ভালবাসতে পারেনি।
বর্তমানে নিজেকে
নষ্ট মানুষ বলতে দ্বিধা নেই আমার -
সত্যের সাথে চরম বিরোধ,
ভুলে গেছি যত্ন আর ভালবাসার ধরন,
সততার তলানিটুকুও অবশিষ্ট নেই,
তেষ্টা পেলে শেষ কবে তা জলে মিটিয়েছি মনে নেই।
নষ্ট হলেও তোমার ঘৃণা আমায় স্পর্শ করতে পারবে না।
বিত্তহীন যে আমাকে ভালবাসা যায়নি,
বিত্তবান সেই আমাকে ঘৃণা করলেই তা মানবো কেন?
ছেলে ঢাকায় থাকে। পড়াশুনার পাঠ চুকিয়েছে প্রায় বছর হতে চলল। আজ প্রায় ছয় মাস বাড়ী ছাড়া। মার জন্য, বাবার জন্য, ছোট্ট বোনটার জন্য মনটা বড্ড পোড়ায়। মেসের রান্না আরো বেশি মার কথা মনে করিয়ে দেয়। তবু তার বাড়ী ফেরা হয় না।
কি করে ফিরবে?
টালমাটাল সংসারে তার যে এখনো কোন অবদান নেই, এদিকে দিন কে দিন সবকিছুর দাম বেড়েই চলছে। বাবার কষ্টার্জিত উপার্জনের প্রতিদান এখনো দেয়া হয়নি, পূরণ হয়নি মায়ের প্রত্যাশা। ছোট্ট বোনটার আবদার মেটানোর সামর্থ্যও সে অর্জন করতে পারেনি।
কোন মুখে বাড়ী ফিরবে সে ?
তার যে এখনও চাকরী হয়নি।।